২০০১ সালে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিলো মাশরাফি বিন মুর্তজার। এরপর দেশের জার্সিতে কেটে গেছে প্রায় দেড় যুগ। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। এবার দারুণ এক মাইল ফলকের সামনে টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক।
ওয়ানডেতে উইকেট শিকারের দিক থেকে পাকিস্তানের সাবেক স্পিডস্টার শোয়েব আখতারকে পেছনে ফেলার সুযোগ মাশরাফির সামনে। এজন্য মাশরাফির দরকার আর মাত্র ৩টি উইকেট। ১৯০ ম্যাচে নড়াইল এক্সপ্রেসের উইকেট ২৪৫টি। অপরদিকে ১৬৩ ম্যাচে ২৪৭ উইকেট শিকার করেছেন রাওলপিন্ডি এক্সপ্রেস।
আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ। নিজের শেষ এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন মাশরাফি। হয়তো সেখানেই শোয়েবকে ছুঁয়ে ফেলবেন তিনি। এছাড়া প্রথম বাংলাদেশী বোলার হিসেবে ২৫০ উইকেট শিকারের সুযোগ থাকছে তার সামনে।
ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরণ। ৩৫০ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ৫৩৪। ওয়ানডেতে পাঁচশ’র (৫০২) উপরে উইকেট আছে আর শুধু ওয়াসিম আকরামের।
সর্বাধিক উইকেট শিকারির তালিকায় মাশরাফির অবস্থান ২৬তম। বাংলাদেশি বোলাদের মধ্যে দুই শতাধিক ওয়ানডে উইকেট আছে আর মাত্র দুই জনের। ১৮৮ ম্যাচে ২৩৭ উইকেট সাকিব আল হাসানের আর ১৫৩ ম্যাচে ২০৭ উইকেট নিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক।
ব্যক্তিগত বিষয় মাঠের বাইরেই থাকুক : সৌম্য
এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শুরু হতে আর খুব বেশি দেরি নেই। এমতাবস্থায় বেশ ব্যস্ত একটি সময়ের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা। অনুশীলনে যতটা সম্ভব নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন তাঁরা। দলের অন্যান্য সদস্যের সাথে অনুশীলন মত্ত আছেন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও।
সৈকতের নাম আলাদা করে বলার পেছনে কারণ কি থাকতে পারে সেটি এরই মধ্যে হয়তো বুঝে ফেলেছেন সকলেই। মাত্র দুই দিন আগেই নিজের স্ত্রীকে ঘিরে একটি নেতিবাচক ঘটনায় সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন এই ক্রিকেটার। তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক নেয়ার চাওয়ার অভিযোগও তুলেছিলেন মোসাদ্দেক পত্নী।
তবে এতসব অভিযোগ মাথায় নিয়েও সকলের সাথে ক্যাম্পে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন এই অলরাউন্ডার। এই বিষয়টিকেই অনেকে দেখছেন বক্র দৃষ্টিতে। এই পরিস্থিতিতে মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধাচরণেও লিপ্ত হয়েছেন অনেক ক্রিকেট ভক্ত।
কিন্তু এই তালিকায় নেই মোসাদ্দেকেরই সতীর্থ সৌম্য সরকার। তাঁর মতে এশিয়া কাপের আগে এসব বিষয় নিয়ে না ভাবাটাই মঙ্গলকর হবে সকলের জন্যই। আর এই ব্যাপারটিকে টাইগার অলরাউন্ডারের একান্ত ব্যক্তিগত হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি। মিরপুরের অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের সৌম্য বলেছেন,
‘এটা যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। এখন যেহেতু ক্যাম্প শুরু হয়ে গিয়েছে আমরা চেষ্টা করি যার যার নেতিবাচক বিষয় সামনে না এনে ইতিবাচক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে। যেহেতু এশিয়া কাপ সামনেই, ১৫-১৬ দিন পরে। তো সবার চোখ সেখানেই, বড় আসরে কিভাবে ভালো করতে হবে। সেভাবেই অনুশীলন করছে সবাই।’
বর্তমানে দলের সব ক্রিকেটারেরই মনোযোগ এশিয়া কাপে ভালো পারফর্ম করার দিকে। আর সেই কারণে অনুশীলনে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। তাই খেলার বাইরের বিষয়ে মাথা ঘামানোর সময় এখন নেই বলেই জানালেন সৌম্য। তাঁর ভাষ্যমতে,
‘১৫ দিন পরেই খেলা। সবার চিন্তা এশিয়া কাপ নিয়েই। কিভাবে ভালো খেলা যায় সেটা নিয়ে। এসব নিয়ে চিন্তা করার তো কোন সময় নাই কারো
from SportsTier Bangla https://ift.tt/2LFc2KR